রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) খাগড়াছড়িতে দেশের ছয় জেলায় ই-পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা করেছিলেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মধ্যে ই-পাসপোট কার্যক্রম একটি। এই পাসপোর্ট দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম এবং সারা বিশ্বের মধ্যে ১১৯তম দেশ যারা ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু করেছে। ই-পাসপোর্ট যেন বিশ্বমানের হয় সে লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করেছে। ই-পাসপোর্ট সারা বিশ্বে বিশ্বাসযোগ্য ও নিরাপদ এটি ইস্যু করা হবে ১০ বছরের জন্য। ই-পাসপোর্ট পেতে যাতে হয়রানির শিকার হতে না হয়, তা নজর রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, ই-পাসপোর্টের জন্য ঘরে বসে আবেদন করা যাবে। পরবর্তীতে ফিংগার প্রিন্ট, আই প্রিন্ট অফিসে গিয়ে আসতে হবে। ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি এমআরপি পাসপোর্ট এখনো ব্যবহৃত হবে।
পার্বত্য শান্তি চুক্তি বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চুক্তির কিছু কিছু বিষয় অসম্পূর্ণ রয়েছে। এ ব্যাপারে কাজ চলছে। আমরা আর এই এলাকায় রক্তপাত চাই না। দেশ অনেক এগিয়েছে, নতুন নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই বাংলাদেশে কোন অংশ অন্ধকারে থাকবে প্রধানমন্ত্রী তা কখনো চিন্তা করেন না।
খাগড়াছড়ি ছাড়াও ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ ও চাঁদপুরের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ই-পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম চালু করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজাতীয় শরণার্থী পুনর্বাসন বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বাসন্তী চাকমা, মো. শহীদুজ্জামান, মে. জে. আয়ুব চৌধুরীসহ জেলার উর্ধ্বতন বেসামরিক, সামরিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।